শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
ইনানীতে গ্যাসের সঙ্গে তেলও বেরিয়ে আসছে, আরও ১৫ দিন জ্বলবে আগুন-বাপেক্স ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইনানীতে ২ দিন ধরে জ্বলছে নলকূপ থেকে ওঠা গ্যাসের আগুন: ২২ কিলোমিটার এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন সাংবাদিক আবদুল আজিজের পিতার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় নির্গমন গ্যাসের আগুন: আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ছেলের হাতে বাবা খুন ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি সেন্টমার্টিন ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খোলা প্রতিপক্ষ ফুটবলারের ওপর রাগ কমছে না নেইমারের, পাল্টা বক্তব্য নেস্তরের রামুর রশিদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার: চুরির ৯৬ লাখ টাকা ভাগ নেওয়ার অভিযোগ

‘মোখা’র তান্ডবে পর স্বাভাবিক কক্সবাজার: ঘুরে দাড়াঁনোর চেষ্টা ক্ষতিগ্রস্তরা

আবদুল আজিজ:
কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডবের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, রাস্তাঘাট মেরামত ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু হয়েছে। আবারও ঘুরে দাড়াঁনোর চেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা। একইভাবে আজ সকাল থেকে কক্সবাজারে বিমান চলাচলও শুরু হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় “মোখা”র তান্ডবের পর গতকাল রাতেই আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে গেছে দুর্গত মানুষ। এসব মানুষের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমাটিন দ্বীপে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলোতেও। তবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা সরকারিভাবে এখনও সহায়তা পায়নি।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্যমতে, কক্সবাজার জেলায় ১০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার আংশিক ও ২ হাজার সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। শুধুমাত্র সেন্টমার্টিনেই ১২ শ ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। এসময় অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে। একইভাবে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫ হাজার ঝুঁপড়ি ঘর। তবে হতাহত হয়নি কেউ।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিভীষণ কান্তি দাশ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মহাবিপদ সংকেত কেটে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে গেছে দুর্গত এলাকার মানুষ। ঘূর্ণিঝড়ে যেসব বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সরকারিভাবে সহায়তা করা হবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় এলাকার মানুষেরা বাড়িঘর হারিয়ে নি:স্ব। বাড়িঘর মেরামতের মাধ্যমে ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা তাদের।

এদিকে, কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশার মো: মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ২৭৮টি শেল্টার, ২৫৪৮ টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত শেন্টার, ৩২ টি লার্ণিং সেন্টার, ১টি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্ৰ, ২৯টি মসজিদ / মক্তব, ১২০টি ঘরে ভুমিধ্বস, ২২৫টি গাছ উপড়ে গেছে, ১৮৩টি টয়লেট, ১৩২টি গোসল খানা, ২০টি নলকূপ/ট্যাপস্ট্যান্ড/ওয়াটার নেটওয়ার্ক, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের পরিমাণ ১৩৫ ফুট, অন্যান্য স্থাপনা ৫৮টি। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত ১৬১১ জন রোহিঙ্গা। ঘূর্ণিঝড় চলাকালিন সময় ৫৩৮৬ জন রোহিঙ্গাকে অন্যত্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION